নুরুল ইসলাম নাহিদের আবিষ্কার ভার্জিন বৃত্তি

মাই ডিয়ার নুরুল ইসলাম নাহিদ সার, শুনলাম আপনারা নাকি হায়ার সেকেন্ডারী ছাত্রীদের স্ট্যাইপেন্ড বা বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু শর্ত জুড়ে দিয়েছেন, বিয়ে করলে নাকি স্ট্যাইপেন্ড দেওয়া হবে না। (http://goo.gl/JNoikl)

স্যার সত্যিই আপনাদের উদ্যোগটা প্রশংসনীয়, কিন্তু সত্যিই কথা বলতে শর্তটা কিন্তু বাংলাদেশের আইন বিরোধী। কেননা বাংলাদেশের আইন অনুসারে একজন মেয়ে ১৮ বছরে বিয়ে করতে পারবে (নতুন আইনে ১৬ বছর)। কিন্তু হাইয়ার সেকেন্ডারীতে উঠে অনেকে মেয়েই ১৬ বছর বয়স পার হয়ে যায়। আপনি একটি মেয়েকে আইন অনুযায়ী বিয়ে করতে স্বীকৃতি দিলেন, কিন্তু তাকে স্ট্যাইপেন্ড থেকে বঞ্চিত করে রাখলেন, এটা তো অন্যায়।

আবার অন্যদিক থেকে চিন্তা করলে, হায়ার সেকেন্ডারীতে উঠে অনেক মেয়ে বিয়ে করে না ঠিক, কিন্তু প্রেম করে কুমারিত্ব হারিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে দেখা যাবে, অনেক মেয়ে বৈধ বিয়ে করে স্ট্যাইপেন্ড হারাবে, কিন্তু অনেক মেয়ে অবৈধ লিভটুগেদার করে স্ট্যাইপেন নিয়ে যাবে, এটা কেমন হলো ? তারমানে এ স্ট্যাইপেন্ড দেওয়ার আগে মেয়েদের কুমারিত্ব পরীক্ষা করা জরুরী।

এক কাজ করেন স্যার, নিয়ম যখন করেছেন, আরো কঠিন করে নিয়ম করুন। এ প্রকল্পটির নাম ‘হায়ার সেকেন্ডারি ফিমেল স্টাইপেন্ড’ চেঞ্জ করে নতুন নাম দিন ‘হায়ার সেকেন্ডারি ভার্জিন স্টাইপেন্ড’ । একটা কমিটি করে মেয়েদের নিয়মিত ভার্জিনিটি টেস্ট করুন (প্রতিবার ভাতা দেওয়ার আগে), যারা ভার্জিন তারাই কেবল স্ট্যাইপেন্ড পাবে, যারা ভার্জিন নয় তারা পাবে না। সোজা হিসেব।

ধন্যবাদান্তে ব্লগার নয়ন চ্যাটার্জি

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s