কুরবানী করার দৃশ্য নিয়ে মুশফিকের ছবি পোস্ট ও চ্যানেল আই’র চুলকানি

ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম কুরবানী করার ছবি পোস্ট করেছিলো। এ নিয়ে চ্যালেন আই’র বার্তা সম্পাদক জাহিদ নেওয়াজ খান মুশফিককে উদ্দেশ্য করে বলেছিলো-
“আপনার মতো পাবলিক ফিগারের ফেসবুকে এরকম রক্তাক্ত ছবি দেওয়া খুবই ভুল হয়েছে। মাংস খেলেই যে সবাই রক্তারক্তি পছন্দ করবে তা নাও হতে পারে। ধর্মীয় অনুষঙ্গ হলেও, খেয়াল করে দেখুন, কোনো সুস্থ গণমাধ্যম পশু জবাইতো দূরের কথা, কোরবানির পশুর রক্তও দেখায় না। এটাই সাধারণ সভ্যতা।”
(http://goo.gl/1rY2H3)

জাহিদ নেওয়াজ খান যে গান গেয়েছে, তা হচ্ছে সাংবাদিকতার কথিত মাণদণ্ড। একে বলে, ‘গ্রাফিক ভায়োলেন্স’, যা না প্রচার করা সাংবাদিকতার কথিত নৈতিকতা হিসেবে গণ্য হয়।
গ্রাফিক ভায়োলেন্সের সংজ্ঞা কি ?
উইকিপিডিয়া অনুসারে- Graphic violence is the depiction of especially vivid, brutal and realistic acts of violence in visual media such as literature, film, television, and video games. It may be real, simulated live action, or animated.
অর্থ : গ্রাফিক্স ভায়োলেন্স হচ্ছে দৃশ্যমান প্রচার মাধ্যমে (সহিত্য, টেলিভিশন, সিনেমা, ভিডিও গেমস) স্পষ্ট, নির্মম এবং বাস্তবতা সম্মত সহিংস ঘটনার চিত্রায়ন, তা হতে পারে বাস্তব, অভিনয় কিংবা কৃত্তিম। (https://goo.gl/Nct1ta)
তবে এটা দুঃখজনক হলেও সত্য, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকাংশ প্রতিমা গ্রাফিক ভায়োলেন্স’র অন্তর্ভূক্ত। যেমন কালী মূর্তি, দূর্গা মূর্তি, কেননা ঐ সকল মূর্তিতে স্পষ্ট সহিংসতা ফুটে উঠে, উপরন্তু তা কোন প্রাণীর সাথে নয় বরং মানুষের সাথে।
তাই গ্রাফিক ভায়োলেন্স হওয়ায় সকল প্রচার মাধ্যমে (বই-পত্র, টিভি, পত্রিকা, অনলাইন) হিন্দুদের প্রতিমাদের স্বচিত্র ছবি প্রদর্শনী নিষিদ্ধ করা হোক।
নয়ন চ্যাটার্জি's photo.
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s