মন্দির ভাঙ্গা নিয়ে হিন্দুদের ষড়যন্ত্র

গত ২৩ অক্টোবর নাটরের গুরুদাসপুরে একটি মন্দির ভাংচুরের ঘটনা ঘটে এবং এরপর আরো কতগুলো ঘটনা ঘটে—————
১) হিন্দুরা মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে,
২) এক হিন্দু ৬ জন মুসলিমকে আসামী বানিয়ে মামলা করে(http://goo.gl/7JnjT5)
৩) নাটোরের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জী ৩ মুসলমানকে ৩দিন করে রিমান্ডে নেয়। (http://goo.gl/dlV23q)
৪) অনলাইনে হিন্দুরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। মুসলমানরাই গুরুদাসপুরের মন্দির ভেঙ্গেছে এমন দাবি করে তারা মুসলমানদের যাচ্ছে তাই গালাগালি করে এবং ধর্মীয় অবমাননা করতে থাকে। (ছবি-কমেন্ট, কমেন্টগুলো এ দুটো পোস্ট থেকে নেওয়া-https://goo.gl/1uY8Jnhttps://goo.gl/yYHmjH)
কিন্তু সবকিছুর পর ফাস হয় মূল ঘটনা, মুসলিমরা নয় হিন্দুরাই এ মন্দির ভেঙ্গেছে। শুনুন মন্দির ভাঙার সেই ঘটনা-
“ঘটনার রাত (২৩ তারিখ) একটার দিকে সবাই মন্দিরে নাচগান করার সময় একই মহল্লার মৃত নারায়ন কর্মকারের ছেলে শ্রী বিকাশ চন্দ্র কর্মকারের সাথে স্থানীয় প্রফেসর আনন্দ বাবুর ছেলের গন্ডগোল হয়। এক পর্যায়ে তারা প্লাস্টিকের চেয়ার দিয়ে মারামারি করে। পরে মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদক মদন কর্মকার, সদস্য মাধব শীল, নিমাই কর্মকার ও প্রফেসর আনন্দ বাবু এগিয়ে এসে বিকাশ চন্দ্র কর্মকারকে মন্দির থেকে বের করে দেন। এ সময় মাতাল অবস্থায় খালি গায়ে প্যান্ট পরে বিকাশ কর্মকার মন্দিরের পাশের মজনুর ঘরের বারান্দায় হেলান দিয়ে বসে থাকে। পরে রাত তিনটার দিকে সবাই চলে গেলে ১৫/২০ মিনিট পরে বিকাশ কর্মকার আবার মন্দিরে ফিরে আসে। এ সময় মন্দিরে কেউ না থাকায় তাকে ঢুকতে বাঁধা দিলে বিকাশ কর্মকার এপিসি রজিবের ঘাড় ধরে বলে, ‘‘আমি কারাতে মাস্টার, তোকে খেতে দিয়ে এখানে রেখেছি, পূজা আমাদের তুই চুপ চাপ বসে থাক, আমার কাজ আমাকে করতে দে, না হলে তোকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিবো’’। এসময় মন্দিরে ঢুকে বিকাশ কর্মকার একে একে সব প্রতিমার মাথা ও হাত ভাংতে শুরু করে। এক পর্যায়ে সে লোকনাথের ঘরে প্রবেশ করে সেখানেও ভাংচুর করে। পরে আমি চিৎকার করলে ঘুমিয়ে পরা আনসার সদস্য বজলু উঠে আসে।” (http://goo.gl/Bb1Axxhttp://goo.gl/UFNqbu)
মন্দির পাহারা দিচ্ছিলো দুইজন মুসলিম-বজলু ও রজিব। হিন্দু বিকাশ কর্মকার এদেরকে গুরুতর আহত করে এরপর মন্দির ভাংচুর করে বিকাশ কর্মকার।

 

উপরের ঘটনাটা পড়ে আমরা কি শিখলাম-
১) হিন্দুরা তাদের মন্দিরে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে নাচগান করে।
২) হিন্দুরা মাতাল হয়ে নিজেই নিজেদের মূর্তি ভাঙ্গে ।
৩) মুসলমানরাই হিন্দুদের মূর্তি পাহারা দেয় এবং হিন্দুরা নিজেদের উপাস্য মূর্তি ভাঙ্গতে আসলে মুসলিমরা তাতে বাধা দেয়। আর এতে উল্টো মুসলমানদেরকে হিন্দুদের হাতে মার খেতে হয়।
৪) মূর্তি ভাঙার ঘটনা ঘটে গেলে দোষ নন্দঘোষ মুসলিমদের হয়।
৫) হিন্দুরা মুসলিমদের নামে মিথ্যা মামলা করে।
৬) হিন্দু পুলিশ মুসলিমদের মূর্তি ভাঙার নাম দিয়ে গ্রেফতার করে ও রিমান্ডে নেয়।
৭) হিন্দুরা নিজেই নিজেদের মূর্তি ভেঙ্গে সে অজুহাতে মুসলিমদের ধর্ম নিয়ে যাচ্ছেতাই গালাগালি করে।
আমি কিন্তু অনেক আগেই আপনাদের বলেছিলাম- হিন্দুরা নিজেরাই নিজেদের মন্দির ভাঙ্গে এবং সে দোষ মুসলিমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে মুসলমানদের মামলায় ফাসায়, জেল খাটায়। এর বহু প্রমাণও আমি দিয়েছিলাম এ পোস্টে (https://goo.gl/cvfr7w), এমনকি গুরুদাসপুরের ঘটনার পেছনে যে হিন্দুরাই জড়িত সেটাও ফাস করেছিলাম (https://goo.gl/g8pnvi)। তখন হয়ত কেউ বিশ্বাস করেছিলেন, আর কেউ হয়ত করেননি। এখন নিজেই তো প্রমাণ পেলেন।
একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন,
এসব পূজাটুজা আসলে কিছু নয়। যদি মূর্তির কোন দাম তাদের কাছে থাকতো, তবে তারা নিজেই তা ভাঙ্গতে পারতো না। আসলে এসব ঘটনার পেছনে সব হিন্দুদের একটা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আছে। সবার মাথায় কাজ করে একটা কমন থিউরী। সেই থিউরী অনুসারেই তারা সবাই কাজ করে যায়। এ থিউরীটা আজ থেকে ৫০০ বছর আগেই প্রভু শ্রী চৈতন্য দিয়েছিলো, বলেছিলো-
“নির্যবন (মুসলিমমুক্ত) করো আজি সকল ভুবন।” অর্থাৎ মুসলিম মুক্তবিশ্ব গড়াই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। সবগুলো ঘটনা মিলিয়ে দেখুন, প্রমাণ পেয়ে যাবেন।
সবাইকে ধন্যবাদ।
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s