ইতিহাস কি বলে, কে সন্ত্রাসী- মুসলিম নাকি অমুসলিমরা ?

মুসলমানরা আরবে তাদের মূল কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলো মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে। ইতিহাস বলে এই যুদ্ধে জয়লাভের পর মুসলমানরা কাউকে হত্যা করেনি। চাইলে সে সময় মুসলমানরা অনেককেই হত্যা করতে পারতো। কিন্তু মুসলমানদের শেষ নবী সবাইকে ক্ষমা করে দেন।

ক্রুসেড যুদ্ধের পর একই ঘটনা দৃশ্যমান হয়। মুসলমানরা যখন বায়তুল মুকাদ্দাস দখল করে, তখন তারা কারো উপর নির্যাতন করেনি। ইতিহাস খ্যাত যোদ্ধা সালাউদ্দিন আইয়ুবী সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন সে সময়। ইতিহাসের প্রত্যেক ক্ষেত্রেই একই রকম প্রকাশ পায়, প্রমাণিত হয় মুসলমানরা সর্বক্ষেত্রেই ছিলো দয়ালু।

Continue reading

ফ্রান্সের পতাকার ইতিহাস!

হুজুগে মাতাল মুসলিম সমাজ!
গত কয়েকদিন যাবত দেখছি অনেকেই প্রোপিকে ফ্রান্সের পতাকা ব্যবহার করছে । যারা প্রোপিকে ফান্সের পতাকা দিচ্ছে তারা হয়ত অনেকেই জানে না, ফ্রান্সের জাতীয় পতাকার অর্থ কি ? মানে যে তিনটি রং (নীল, সাদা ও লাল) এর সমন্বয়ে ফ্রান্সের পতাকা গঠিত, এই তিনটি রং কিন্তু কিছু বিশেষ প্রতীক প্রকাশার্থে ব্যবহৃত হয়। আসুন বিষয়টি জেনে নেই-
১) ফ্রান্সের পতাকার লাল এবং নীল অংশটি প্রতিনিধিত্ব করে খ্রিস্টানদের কুমারী মেরী তথা যীশুর মাতার।
২) আরেকটি ব্যাখ্যায়, লাল অংশটি প্যারিসের Continue reading

বাংলাকে পরাধীন করার জন্য কে আসল বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলো, হিন্দুরা নাকি মুসলিমরা

কয়েক দিন আগে Dustu reeya নামক একটি হিন্দু ফেসবুক আইডি থেকে আমার এক পোস্টে কমেন্ট করা হয়-

\\\\\\“বেইমানির কথা বললেই মুসলিমদের নাম আগে আসে, কারণ মীরজাফরের চেয়ে বড় বেইমান বাংলার ইতিহাসে আর পাই না”। \\\\\\\\
দুষ্টু রিয়া’র এ কমেন্ট পরেই আমার মনে হয়েছে, এ এক বিরাট ঐতিহাসিক বিভ্রান্তি, যা খণ্ডন করার দরকার আছে। সবাই সব সময় মীরজাফরকেই একচেটিয়া দোষ দিয়ে দেয়, কিন্তু আড়াল করে যায় প্রকৃত সত্যকে।
ইতিহাস বলে, মীরজাফর কখনোই মূল বিশ্বাসঘাতক ছিলো না। বরং মীরজাফর ছিলো বিশ্বাসঘাতকদের বানানো একটা পুতুল (যার নিজের কোন যোগ্যতা ছিলো না), যখনই তার দ্বারা বিশ্বাসঘাতকদের স্বার্থ উদ্ধার হয়েছে, তখনই তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে বিশ্বাসঘাতকরা। বেরিয়ে এসেছে প্রকৃত চক্রান্তবাজদের চেহারা।
ইতিহাসে মীরজাফরের আবির্ভাব ঘটেছিলো অনেক পড়ে। নবাব সিরাজ-উ-দৌলাকে যে সরাতে হবে তার প্ল্যান অনেক আগেই করেছিলো তিন হিন্দু বিশ্বাসঘাতক জগৎশেঠ, উমিচাঁদ ও রাজবল্লভ মিলে। জগৎশেঠের বাড়িতে এক গোপন মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত হয় যে, সিরাজ-উ-দৌলাকে সরাতে হবে। সেই মিটিং এ মহিলার ছদ্মবেশে পালকীতে করে যোগ দিয়েছিলো ইংরেজ দূত ওয়াটস।
Continue reading

অসভ্য ফ্রান্সের আসল চরিত্র

আজকে কিছু গাজাখোরকে দেখলাম, ফ্রান্স ভদ্রলোকের দেশ বলে খুব টান মারছে। একজন তো পাকা পায়খানা লোভের ফ্রান্সের পক্ষে বলতে গিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১০০টা বক্তব্য দিয়ে দিলো। বিশিষ্ট পাকা পায়খানা লোভী পুটুকামী আচিফ তো বলেই ফেললো-
“ ফ্রান্স সভ্য দেশ। শিক্ষিত মানুষের দেশ। অসভ্য আর বর্বর, মূর্খদের দেশ নয়। মদিনা সনদের দেশ নয়। হাসিনা খালেদার দেশ নয়। ফ্রান্স জ্যাঁ পল সার্ত্রের দেশ। সিমোন দ্যা বুভোয়ার দেশ। মিশেল ফুঁকো, বোদলেয়ার, র‍্যাবোর দেশ। আরো হাজার হাজার মানুষের দেশ। তার প্রতিটি রাস্তা স্বপ্নের মত, প্রতিটা ইট ঐতিহ্যবাহী। প্যারিস নিঃসন্দেহে সভ্য পৃথিবীর আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম তীর্থস্থান। প্যারিসের প্রতিটি রাস্তায় হেঁটে বেড়িয়েছেন পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু মেধাবী মানুষ। সেই প্যারিসে হামলা চালালো আরব বর্বররা।” (https://goo.gl/70wJuj) Continue reading

সত্যিই কি মুসলমানরা ইউরোপ গিয়ে ইউরোপকে কলুষিত করছে ??

আজকাল কিছু নাস্তিক ব্লগার বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ যায়, আর ফেসবুকে স্ট্যাটাস মারে, “ইস ! মুসলমানরা কত নৃশংস, কত জঘন্য, কত বর্বর। ইউরোপীরা কত সভ্য, কত ঐতিহ্যবাহী, কত উদারমনা। আরবের মুসলমানরা এসে ইউরোপটা নষ্ট করে দিলো, নোংরা করে দিলো, বর্বরতা ছড়িয়ে দিলো। মুসলমানদের ঘাড় ধরে ইউরোপ থেকে বের করে দেওয়া উচিত।”

যে সকল মূর্খ সামান্য কিছু টাকা আর অ্যাসাইলামের লোভে এ ধরনের বক্তব্য দেয়, তাদের উচিত ইতিহাস সম্পর্কে কিছু জ্ঞান লাভ করা। কারণ তারা যদি ইতিহাস সম্পর্কে নূন্যতম জ্ঞান রাখতো , তবে এ ধরনের কথা কখনই বলতে পারতো না, বরং বলতো- আরবের সভ্য মুসলমানরা এসে অসভ্য, বর্বর, নৃশংস ইউরোপীয়দের সভ্যতা শিখিয়েছে, তাদের ভদ্র বানিয়েছে। Continue reading

৩১ অক্টোবর এর কথিত ‘হ্যালোইন’ অনুষ্ঠানের ইতিহাস

আজ ৩১ অক্টোবর, এ দিনে খ্রিস্টপ্রধান দেশগুলো কথিত ‘হ্যালোইন’ অনুষ্ঠান করে থাকে।

উ্ইকিপিডিয়া বলছে- হ্যালোইন” বা “হ্যালোউইন” শব্দটির উৎপত্তি ১৭৪৫ খ্রিষ্টাব্দের দিকে, যা খ্রিস্টীয় ধর্ম থেকে হয়েছে। আসলে এ হ্যালোইন দিবসটা হচ্ছে কুসংষ্কারাচ্ছন্ন খ্রিস্টানদের অলীক কল্পনার এক দিন। (https://goo.gl/vhUZL5)
তারা ধারণা করে-
এদিন মৃতের দেবতা সামান সব মৃত অ‍াত্মাদের পৃথিবীতে আহ্বান জানায়। এদিন উড়ন্ত ঝাড়ুতে করে হ্যালোইন ডাইনি সারা উড়ে বেড়ায় অ‍াকাশ জুড়ে। কখনওবা সবুজ খরখরে দেহের ডাইনি বুড়ি কড়া নাড়ে কোনো বাড়ির দরজায়। অনেকের মতে, এসময় সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে যায় বিদেহী আত্মারাও।
(http://goo.gl/jKqeDS)

Continue reading