হিন্দু ছাত্রদের দ্বারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপকর্ম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু অধ্যুষিত জগন্নাথ হলের ছাত্ররা কি সন্ত্রাস-অপকর্মে এগিয়ে যাচ্ছে ??
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী এলাকায় এক ব্যক্তির বান্ধবীকে ধর্ষণের হুমকি দিযে এটিএম কার্ডের অর্থ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছিনতাইকারী গ্রুপটি ভিকটিমের গলায় চাপাতি ধরে তাকে হত্যারও হুমকি দেয়। ঘটনািটি ফাঁস হয়ে যায়, এটিএম বুথের সিসিটিভিতে অপরাধীদের চেহারা দেখে। বেরিয়ে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু হল জগন্নাথের ছাত্ররাই এ অপকর্মের সাথে জড়িত। এদের একজনের নাম অমিত কুমার সাহা, অন্যজন রাজীব বাড়ৈ।

Continue reading

Advertisements

বাংলাদেশে ইসকন কর্তৃক মূর্তি ভাংচুর এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে ধড়পাকড়

নাটোরে দূর্গা মূর্তি ভাংচুর নিয়ে হিন্দুরা খুব আন্দোলন করছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে একদল মুখোশ পরিহিত লোক নাকি এ ভাংচুর চালায়।
আমার কথা হচ্ছে, যে ভাংচুর করতে আসবে, সে মুখোশ পড়ে আসবে কেন ? আর যে মুখোশ পড়ে আসবে সে অবশ্যই লোকাল ভাংচুরকারী নয়, তার উদ্দেশ্য ভিন্ন কিছু।
মূর্তি ভাংচুরের ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুরে। আর গুরুদাসপুরে কিন্তু ইসকনের কার্যক্রম আছে। আর এই আন্দোলনগুলো করছেও কিন্তু ইসকন কর্তৃক লেলিয়ে দেওয়া নিচু বর্ণের হিন্দুরা, সকল হিন্দুরা নয়।
আমি কয়েক পোস্ট আগে, বাংলাদেশের সাবেক সেনা সদস্যদের লেখা ‘বাংলাদেশে র’, নামক বইয়ের রেফারেন্স দিয়ে দেখিয়েছিলাম- ইসকন কোন হিন্দু সংগঠন নয়, এটা একটা ইহুদী সংগঠন। মূলতঃ তারাই নিজেদের মন্দিরে হামলা চালিয়ে বিশেষ কোন স্বার্থ হাসিল করতে চাচ্ছে।

বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হিন্দুদের পূজা নিয়ে আসার রহস্য কি ??

কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে একটি জিনিস বেশ জোরে সোরেই হচ্ছে, তা হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পূজা উদযাপন। এখন টার্গেট নিয়েই প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে পূজা নিয়ে আসছে হিন্দুরা। ইতিমধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা ‘সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ’ নামক অনলাইনে একটি গ্রুপও খুলেছে। আগে সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরস্বতী পূজা হতো। এখন সরস্বতীর পাশাপাশি দূর্গা পূজা, জন্মাষ্টমী, হোলি পূজা কালী, দীপাবলী সব পূজাই ‍শুরু হয়ে গেছে। ধিরে ধিরে সবগুলো পূজাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়ে আসাই যে তাদের টার্গেট তা বোঝা যাচ্ছে। Continue reading

বাংলাদেশে হিন্দুদের মিথ্যাচার

সুপ্রীতি দিদি, এক মিথ্যা নিয়ে আর কয়বার মুসলমানদের নাজেহাল করবেন ?
আমেরিকা টুইন টাওয়ার নাটক বানিয়ে আফগানিস্তানে হামলা করে,
ফ্রান্স প্যারিস হামলার নাটক বানিয়ে সিরিয়ায় বোম্বিং করে,
আর আপনারা পূর্ণিমা ধর্ষণ নাটক বানিয়ে মুসলমানদের ধর-পাকড় করেন।
এক পূর্ণিমা নাটক দিয়ে তো ১৬ জন মুসলমানকে যাবজ্জীবন জেল খাটিয়েছেনে। হয়েছে তো, আর কত চান ? এক পূর্ণিমা দিয়ে কি পুরো বাংলাদেশের মুসলমানকে জেলে পুড়ে ফেলবেন ?

হিন্দু এপিএস-এ নাজেহাল তিন মন্ত্রী !

হিন্দু এপিএস রেখে খুব কম সময়ের ব্যবধানে নাজেহাল হয়েছেন বাংলাদেশের তিনমন্ত্রী । এরা হলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের এপিএস মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ (মণি), সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর এপিএস সৌমেন্দ্র চন্দ লাল শৈলেন এবং সর্বশেষ প্রবাসী কল্যানমন্ত্রী এবং শেখ হাসিনার বেয়াই খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস সত্যজিৎ ‍মুখার্জী। তিন ক্ষেত্রেই এপিএসদের বরখাস্ত করা হয়েছে, এরমধ্যে প্রথমজন অন্যত্র কর্মরত, দ্বিতীয়জন জেলে এবং তৃতীয়জন পলাতক রয়েছে।

Continue reading

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের মিথ্যা অজুহাত

অবশেষে ফরিদপুরের অরুণ গুহ মজুমদার ভারত থেকে ফিরে সাক্ষাৎকার দিলেন।
বললেন- “আমি ন্যায্যমূল্যে বাড়ি বিক্রি করেছি।
কেউ আমাকে নির্যাতন করেনি, বরং মুসলিমদের দ্বারা আমি সবর্দা উপকৃত হয়েছি।
যারা আমকে পূজি করে অপপ্রচার ও সস্তা গল্প রচনা করছে, নিশ্চয়ই তাদের ভিন্ন কূট উদ্দেশ্য আছে।” (সূত্র: http://goo.gl/SBY021)
অরুন গুহ মজুমদারের স্বীকারক্তি হয়ে গেছে। তবে এতদিন যারা বা যাহারা অরুন গুহ মজুমদারকে পূজি করে মুখে ভুয়া ফেনা তুলছিলো, মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফকে বিপদে ফেলতে চাইছিলো, আসুন তাদের লিস্টখানা আরেকবার দেখে নেই-

মন্দিরের কারণে হাতির ঝিল প্রকল্পের সৌন্দর্য নষ্ট

আপনারা কি জানেন ?
বাংলাদেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন এবং গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক রোড হাতিরঝিল প্রকল্প একটি মাত্র মন্দিরের কারণে নষ্ট হতে বসেছে ?
হ্যা , একটি মাত্র মন্দিরের কারণে হাতিরঝিল রোডের রামপুরা টিভি সেন্টারের প্রবেশমুখটি নষ্ট হয়ে গেছে, এতে আলটিমেটলি পুরো সংযোগ সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, হাতিরঝিল সংযোগ সড়কের রামপুরা প্রবেশমুখে ‘গৌরাঙ্গ মন্দির’ নামক একটি ইসকন মন্দির আছে (ইসকন হচ্ছে পশ্চিমাপন্থী এনজিও টাইপ উগ্রহিন্দু সংগঠন, যাদের সাথে মূলধারার সনাতনী হিন্দুদের দ্বন্দ্ব চরমে)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে থেকেই পরিকল্পনা ছিলো মন্দিরটি স্থানান্তর করা হবে। কেননা মন্দিরটি না সরালে কোন মতেই রামপুরার প্রবেশমুখটি স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে না। এক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় ডিআইটি সড়কে রামপুরা টিভি সেন্টারের বিপরীত দিক দিয়ে রাস্তা উন্মু্ক্ত করে হাতিরঝিল সংযোগ সড়ক চালু হয়ে যায়। কিন্তু বাধ সাথে ইসকন মন্দির কর্তৃপক্ষ। তারা সেনাবাহিনী কর্তৃপক্ষকে সাফ সাফ জানিয়ে দেয়, তারা কিছুতেই মন্দিরটি সরাবে না।
Continue reading

হাতিরঝিল প্রকল্পের জন্য দুটো মসজিদ ও একটি মাদ্রাসা ভাঙ্গা হলেও ‘গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দির’ নামক অবৈধ ইসকনি মন্দিরটি ভাঙ্গা হয়নি

আপনারা কি জানেন ?
হাতিরঝিল প্রকল্পের জন্য দুটো মসজিদ ও একটি মাদ্রাসা ভাঙ্গা হয়েছিলো।
এগুলো নাম:
১) মধুবাগ ঝিলপাড় অংশে সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানি জামে মসজিদ ও মাদরাসা
২) লেকের মোড়লবাড়ি অংশে মসজিদে বাইতুল মাহফুজ
এখানে লক্ষ্যনীয় শুধু প্রকল্পটি দৃষ্টিনন্দন (!) করতে মসজিদ দুটো ভাঙ্গা হয়েছিলো। মসজিদদুটো যান চলাচলে কিন্তু কোন অসুবিধা সৃষ্টি করছিলো না। যদিও মধুবাগে মসজিদের জন্য যায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিলো, কিন্তু মসজিদ দুটো পুনঃনির্মাণ না করেই মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলো গত জুলাই মাসে ভেঙ্গে ফেলা হয়।
Continue reading

৩৪তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে কৌশলে হিন্দু ঢোকানো হচ্ছে…………

এতদিন অনেকেই বলেছে, বর্তমান বাংলাদেশে প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীতে হিন্দু আধিক্যের মূল কারণ হিন্দুদের মেধা। কিন্তু গতকাল দৈনিক কালের কণ্ঠতে একটি খবরে প্রকাশ পেয়েছে- এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুল। বরং টার্গেট করে এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবেই হিন্দুদের প্রশাসনে প্রবেশ করানো হচ্ছে।

খবরে প্রকাশ পায়- ৩৪ তম বিসিএসসে পুলিশ ক্যাডারে চান্স পায় এক হিন্দু, যার পেছনে মূল কারণ ছিলো ভাইবা বোর্ডের হিন্দু পিএসসি সদস্য দ্বারা অতিরিক্ত নম্বর দেওয়া। Continue reading

ক্রিকেট দলে বিশেষ কোটা

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলেও যে অঘোষিত হিন্দু কোটা আছে, আশাকরি এতদিনে তা সবাই বুঝে গেছেন। এ কোটার বিশেষত্ব- কোটায় চান্স পাওয়া খেলোয়াড় যতই খারাপ খেলুক, যতই গোল্লা মারুক, তাকে কিছুই বলা যাবে না, দল থেকে বাদ দেওয়া হবে না, বার বার তার মধ্যে ‘আশার আলো’ খুজতে হবে। তবে ভুলেও আপনি কিছু বলতে যাবেন না, বললেই হয়ে যাবেন- “সাম্প্রদায়িক” আর ‘আনসারুল্লাহ সদস্য’।
আসলে এই সমস্যা এখন শুধু বাংলাদশের ক্রিকেট টিমে নয়, সরকারি চাকুরী, বেসরকারি চাকুরীসহ সকল স্থানে।
বর্তমানে দেখা যাচ্ছে-
১) সকল অফিস-আদালতে গণহারে ঢোকানো হচ্ছে হিন্দু, তার যোগ্যতার থাকুক বা না-থাকুক, অধিক যোগ্যতা সম্পন্ন মুসলমানকে টপকিয়ে ঢুকানো হচ্ছে তাকে, কারণ বিশেষ নির্দেশ বা লবিং আছে, কিছুই করার নেই। Continue reading